1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
সংসদ নির্বাচনের ব্যয় দাঁড়াচ্ছে সোয়া ২ হাজার কোটি টাকা - ধানের শীষ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য, ৩১ দফা কর্মসূচি এবং একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতি: একটি সমন্বিত বিশ্লেষণ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুক্র ও শনিবার বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম সংসদ বসছে ১২ মার্চ নির্বাচন হবে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিল সরকার শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির ‘মূলহোতা’সহ গ্রেফতার ৩ ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত

সংসদ নির্বাচনের ব্যয় দাঁড়াচ্ছে সোয়া ২ হাজার কোটি টাকা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৬৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে দুই হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। ভোটের দায়িত্বরতদের ভাতা, ভোটের উপকরণ প্রভৃতি খাতে ব্যয় বাড়ায় মোট ব্যয়ও বাড়ছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানিয়েছেন, তাদের বাজেট বরাদ্দ ছিল এক হাজার ৪৫৪ কোটি ৪৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। এর তিনের দুই ভাগ রাখা হয়েছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, তিন হাজারের মতো ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা ও মোতায়েনের সময় বাড়ায় তাদের পেছনে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। তাই সমুদয় ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।
ইসির নির্দেশনায়, গত ২৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমে গেছেন, থাকবেন ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। আগে একেকে বাহিনী একেক সময় মাঠে নামত বিধায় ব্যয় কম হতো। তার আগে নেমেছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা।

এবার ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যাও বেশি। ৩০০ আসনের জন্যই ৩০০ নির্বাচনী তদন্ত কমিটি নিয়োগ করা হয়েছে, যেখানে দায়িত্ব পেয়েছেন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা। এছাড়া আট লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার ভাতাও বেড়েছে।

নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর আট লাখের মতো লোকবল ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে প্রাপ্ত চাহিদা অনুযায়ী সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় এক হাজার ২২৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং নির্বাচন পরিচালনা খাতে সম্ভাব্য ব্যয় এক হাজার ৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এতে আসন প্রতি ব্যয় দাঁড়িয়েছে সাত কোটি টাকার বেশি।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, অতিরিক্ত ব্যয়ের চাহিদা অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে তারা বরাদ্দ দেওয়াও শুরু করেছে।

সংসদ নির্বাচনে ব্যয় বরাদ্দের বিষয়ে অর্থবিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, একটা জিনিস নিশ্চিত করেছি আমরা- নির্বাচনী ব্যয়; যেন পর্যাপ্ত ব্যয় বরাদ্দ হয়। এবার ইসির নির্দেশনায় ডিউটির সংখ্যা বেড়েছে, সময় বেড়েছে, এ কারণে ব্যয়ও বেড়ে গেছে।

ইসির জন্য এক হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। আমরা ইতোমধ্যে জেনেছি যে, সময় বাড়ানো, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা বাড়ানো ইত্যাদি কারণে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। জেনেছি যে, দুই হাজার কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দ লাগবে। ইতোমধ্যে ইসি সচিব মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ৭০২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছি। বাকিটাও দেব।

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট