1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল - ধানের শীষ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য, ৩১ দফা কর্মসূচি এবং একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতি: একটি সমন্বিত বিশ্লেষণ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুক্র ও শনিবার বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম সংসদ বসছে ১২ মার্চ নির্বাচন হবে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিল সরকার শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির ‘মূলহোতা’সহ গ্রেফতার ৩ ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত

বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সৃষ্ট বিক্ষোভ দমনে শিক্ষার্থীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রাণঘাতি অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ অভিযোগ করে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি।

অ্যামনেস্টি বলেছে, আন্দোলন- সহিংসতার প্রেক্ষাপটে কারফিউ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। এর মধ্যে যেসব ভিডিও এবং ছবি পাওয়া যায় সেগুলো যাচাই–বাছাই ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল উদ্ভূত পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেছে। অ্যামনেস্টি ও এর ক্রাইসিস এভিডেন্স ল্যাব বিক্ষোভ দমনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেআইনিভাবে প্রাণঘাতী ও কম প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তিনটি ঘটনার ভিডিও যাচাই করেছে।

সংস্থাটি বলছে, তারা ঢাকার সাভার, বাড্ডা ও রামপুরা এলাকায় সহিংস পরিস্থিতির মধ্যে ধারণ করা ৩টি ভিডিও যাচাই করেছে।

অ্যামনেস্টির রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ‘সমাবেশে পুলিশিং বা দায়িত্ব পালনের সময় আগ্নেয়াস্ত্র কোনও উপযুক্ত হাতিয়ার হতে পারে না; মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের বিষয়ে আসন্ন হুমকির মোকাবিলা করার জন্য কঠোরভাবে প্রয়োজন হলেই কেবল এসব অস্ত্র ব্যবহার করা উচিত।’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ পরিচালক দেপোরসে মুচেনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে আসা ভিডিও এবং আলোকচিত্র অব্যাহতভাবে যাচাই করে ভয়াবহ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।’

মুচেনা আরও বলেছেন, ‘কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে, কারফিউ, বিক্ষোভকারীদের দেখামাত্র গুলি চালানোর আদেশ এবং ইন্টারনেট বন্ধের মতো পদক্ষেপ ভবিষ্যতে ব্যবহার করা হবে না। এই দমনমূলক ব্যবস্থাগুলো এই বিক্ষোভ এবং ভবিষ্যতের যে কোনও ভিন্নমতকে চূর্ণ করার একটি ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা।’

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সেই সঙ্গে সহিংসতার শিকার হয়ে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট