1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা - ধানের শীষ
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য, ৩১ দফা কর্মসূচি এবং একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতি: একটি সমন্বিত বিশ্লেষণ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুক্র ও শনিবার বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম সংসদ বসছে ১২ মার্চ নির্বাচন হবে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিল সরকার শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির ‘মূলহোতা’সহ গ্রেফতার ৩ ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত

২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৫৯০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : ‘আগামী বছর ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে’ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের এই রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি অল্প কিছু সংস্কার করে ভোটার তালিকা নির্ভুলভাবে তৈরি করার ভিত্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়- তাহলে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়তো সম্ভব হবে। আর যদি এর সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করি তাহলে আরও অন্তত ছয় মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। মোটাদাগে বলা যায়, ২০২৫ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যায়।’

সোমবার সকাল ১০টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করছে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড। এসময় দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি সকল প্রধান সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে নির্বাচন আয়োজন করার ব্যাপারে বারবার আপনাদের কাছে আবেদন জানিয়ে এসেছি।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ‘প্রথমে সবচেয়ে বড় কাজ ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা। এটা এমনিতেই কঠিন কাজ। এখন কাজটা আরো কঠিন হলো- এজন্য যে গত তিনটা নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল না। ভোটার তালিকা যাচাই করার সুযোগ হয়নি কারোর। গত ১৫ বছরে যারা ভোটার হবার যোগ্য হয়েছে তাদের সবার নাম ভোটার তালিকায় তোলা নিশ্চিত করতে হবে। এটা একটা বড় কাজ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এখানে গলদ রাখার কোনো সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন পর এবার বহু তরুণ-তরুণী জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। অতীতে তাদেরকে সে অধিকার এবং আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট