1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
খালেদা জিয়াকে আবদ্ধ রাখা মানে দেশকে শৃঙ্খলিত করে রাখা: মির্জা আব্বাস - ধানের শীষ
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য, ৩১ দফা কর্মসূচি এবং একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতি: একটি সমন্বিত বিশ্লেষণ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুক্র ও শনিবার বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম সংসদ বসছে ১২ মার্চ নির্বাচন হবে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিল সরকার শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির ‘মূলহোতা’সহ গ্রেফতার ৩ ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত

খালেদা জিয়াকে আবদ্ধ রাখা মানে দেশকে শৃঙ্খলিত করে রাখা: মির্জা আব্বাস

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪
  • ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, খালেদা জিয়া যদি মুক্ত থাকতেন তাহলে শেখ হাসিনা দেশটা নিয়ে যা ইচ্ছে তা করতে পারতেন না। তাকে আবদ্ধ রাখা মানে হচ্ছে দেশকে শৃঙ্খলিত করে রাখা।

তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষকে আগে দেশকে ভালোবাসতে হবে। তারপর দল ও ব্যক্তি। আর দেশকে ভালবাসার প্রতীক হচ্ছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।

বুধবার বিকালে নয়াপল্টনের ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক যৌথসভার তিনি এসব কথা বলেন। আগামী শনিবার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে দলটির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আহুত সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ১/১১ তে আমিও জেলখানায় ছিলাম। সেসময় আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতারাও কারাগারে ছিলেন। আমি মুক্তি পাবার দুইমাস পর খালেদা জিয়া মুক্তি পেয়েছিলেন। জেলখানায় খালেদা জিয়াকে ১/১১ সরকার কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিলো। সে প্রস্তাব মানলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং রাজনীতি করতে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। সে শর্ত মানলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হতো। তাই সেদিন খালেদা জিয়া কোনো আপোষ করেননি। কিন্তু সেই একই প্রস্তাব মেনে নিয়ে শেখ হাসিনা আজ প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি না, মুক্তি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। এখন সকলকে সকল কাজ বাদ দিয়ে দলের জন্য দেশের জন্য এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য লড়াই করতে হবে। সাহস করে রূখে দাঁড়াতে হবে। আন্দোলনে নেমে ঘরে ঢুকে যাব এমন যাতে না হয়।

মির্জা আব্বাস দলীয় নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, সমাবেশে কোনো দলীয় নেতার শ্লোগান হবে না, ব্যানারে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান ছাড়া কোনো ব্যক্তির ছবি রাখা যাবে না। অনেক মহাপুরুষকে দেখি বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশে নিজের বিশাল ছবি দিয়ে ব্যানার টাঙিয়ে রাখে। তাদের কিন্তু মাঠে দেখা যায় না। ব্যস্ত থাকেন চামচামিতে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সভাপতিত্বে যৌথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ চৌধুরী এ্যানী, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েদুল হক বাবুল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন উর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সিকান্দার কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান, সাইদুর রহমান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জহির উদ্দিন তুহিন, পাপ্পা সিকদার, যুবদলের এমএ গাফফার, শ্রমিক দল নেতা বদরুল আলম সবুজ, ছাত্রদলের খালিদ হোসেন জ্যাকি, সোহাগ ভূইয়া প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট