1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ভন্ডুল ও গুরুত্বহীন করার নোংরা খেলা চলছে : হামাস - ধানের শীষ
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশে জনগণের শান্তি নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১ মে নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য, ৩১ দফা কর্মসূচি এবং একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতি: একটি সমন্বিত বিশ্লেষণ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুক্র ও শনিবার বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম সংসদ বসছে ১২ মার্চ নির্বাচন হবে স্পিকার ডেপুটি স্পিকার খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা নিয়ে সুখবর দিল সরকার শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির ‘মূলহোতা’সহ গ্রেফতার ৩ ঈদুল ফিতরের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত

যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ভন্ডুল ও গুরুত্বহীন করার নোংরা খেলা চলছে : হামাস

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলল ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শাসনক্ষমতায় থাকা সংগঠন হামাস।

সংগঠনটির অভিযোগ, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নস্যাৎ করতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘নোংরা খেলা’ খেলছেন। ইসরায়েল সরকার চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনায় যুক্ত হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছে হামাস।

গতকাল শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাসের রাজনৈতিক শাখার জ্যেষ্ঠ সদস্য বাসেম নাঈম এসব অভিযোগ করেন।

সাক্ষাতকারে বাসেম নাঈম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আবারও এই চুক্তিকে ভন্ডুল ও গুরুত্বহীন করার নোংরা খেলা চলছে। আর এই খেলার মাধ্যমে আবার নতুন করে যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।’

আগামী ১ মার্চ যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হবে। এর আগেই হামাস ও ইসরায়েলের আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী পর্যায় নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানোর কথা। এর আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ তুলল হামাস।

চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে হামাস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চুক্তির বাধ্যবাধকতাগুলো মেনে চলা হয়েছে, এমনটাই জানান বাসেম নাঈম। হামাসের এই নেতার অভিযোগ, ইসরায়েল চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে। চুক্তির প্রথম পর্যায় কার্যকর থাকার মেয়াদকালে শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। প্রতিশ্রুতি মেনে পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা গাজায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নেতজারিম করিডর (গাজার উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে সংযোগকারী সংকীর্ণ পথ) থেকে সেনা প্রত্যাহার স্থগিত রাখা হয়েছিল।

গতকাল হামাস চুক্তির শর্ত মেনে ছয়জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। কিন্তু ইসরায়েল ৬২০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে গাজায় পাঠায়নি।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া জিম্মিদের ‘অপমানজনক অনুষ্ঠানের’ মাধ্যমে ইসরায়েলের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাই আপাতত ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে না। নেতানিয়াহুর এমন কর্মকাণ্ডের পর যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্টতই অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘ প্রায় ১৬ মাস রক্তাক্ত সংঘাতের পর গত ১৯ জানুয়ারি থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৫ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায় ৪২ দিনের। এই সময়ে মোট ৩৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগার থেকে ১ হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট