1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
ইনোভেশন কনসালটিংয়ের জরিপে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ৪৭ ভাগ মানুষ - ধানের শীষ
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ইনোভেশন কনসালটিংয়ের জরিপে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ৪৭ ভাগ মানুষ গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বাড়ছে, এমন দাবি ভিত্তিহীন: প্রেস উইং রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন: ভাসানটেকে তারেক রহমান ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা ১৫ বছর যারা ভোট ডাকাতি করেছে, তাদের সঙ্গে এদের পার্থক্য: তারেক রহমান ভালুকায় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌর বিএনপির ওয়ার্ড ভিত্তিক নির্বাচনী পরামর্শ সভা ভোটের লড়াইয়ে বিএনপির ৭৪ বিদ্রোহী প্রার্থী; বহিষ্কার আরও ৫৯ আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, কাল প্রতীক বরাদ্দ এনসিপির এলিটিজম বনাম তৃণমূল রাজনীতির বাস্তবতা, গণতন্ত্রের নামে কার রাজনীতি?

ইনোভেশন কনসালটিংয়ের জরিপে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান ৪৭ ভাগ মানুষ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে চান ৪৭ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ। অন্যদিকে, ২২ দশমিক ৫ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে (পিইপিএস) রাউন্ড-৩’ শীর্ষক এক জরিপের ফলাফলে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। জরিপের প্রধান ফলাফল উপস্থাপন করেন ইনোভেশন কনসালটিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জরিপের প্রধান মো. রুবাইয়াত সারওয়ার।

তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের ভোটদানের আগ্রহ ও নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে আগের রাউন্ডের সঙ্গে তুলনা করে জনমতের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করাও ছিল জরিপের লক্ষ্য। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৩ দশমিক ৩ ভাগ উত্তরদাতা জানান, তারা আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে চান। আগের রাউন্ডে যারা ভোট দেওয়ার কথা বলেছিলেন, তাদের ৯৬ দশমিক ১ ভাগ এবারও ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। আর যারা আগে ভোট দেবেন না বলেছিলেন, তাদের ৭৮ দশমিক ৫ ভাগ এবার ভোট দেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন। পেপসের প্রথম রাউন্ডের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল গত বছরের মার্চে আর দ্বিতীয় রাউন্ডের ফল প্রকাশ করা হয় সেপ্টেম্বরে। প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডে অংশ নেওয়া নাগরিকদের নিয়ে টেলিফোনে তৃতীয় রাউন্ডের জরিপ চালানো হয়। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি জানুয়ারির ১৬ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত পরিচালিত ৫ হাজার ১৪৭টি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এ জরিপের প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে। সাক্ষাৎকারদাতাদের বাছাই করা হয় দেশের ৬৪ জেলার গ্রাম ও শহর থেকে। ভোটার উপস্থিতি, গণভোট সম্পর্কে জনমত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পর্কে ধারণা, ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত ও দলীয় পছন্দ এ ছয় বিষয়ে নেওয়া হয় মতামত।

জরিপের ফলাফলে বলা হয়েছে, ৪৭ দশমিক ৬ ভাগ উত্তরদাতা মনে করেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২২ দশমিক ৫ ভাগ মনে করেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। জরিপে অংশ নেওয়া ২ দশমিক ৭ ভাগ নাহিদ ইসলামকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন। ২২ দশমিক ২ ভাগ উত্তরদাতা বলেছেন, ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী কে, তা তাঁরা বলতে পারছেন না।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তহীন ভোটার বিএনপির দিকে ঝুঁকেছেন। এলাকাভিত্তিক সম্ভাব্য বিজয়ী প্রসঙ্গে জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামীকাল নির্বাচন হলে নিজেদের এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিততে পারেন, এ প্রশ্নে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপি প্রার্থীর নাম বলেছেন। ২৩ দশমিক ৮ ভাগ বিষয়ে নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন। পেপসের দ্বিতীয় রাউন্ডের তুলনায় তৃতীয় রাউন্ডে বিএনপিকে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে উল্লেখের হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এ হার বেড়েছে ১ দশমিক ১ ভাগ।

আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা বিএনপিতে বেশি : জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। দলটির কার্যক্রমে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা, পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনও রয়েছে স্থগিত। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট কোথায় যাবে, তা নিয়ে রয়েছে আলোচনা। পেপসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের আওয়ামী লীগ ভোটারদের ৩২ দশমিক ৯ ভাগ বিএনপিকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন। ১৩ দশমিক ২ ভাগ জামায়াতকে ভোট দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন। আর ৪১ দশমিক ৩ ভাগ এখনো সিদ্ধান্তহীন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগে যাঁরা সিদ্ধান্তহীন ছিলেন বা পছন্দ প্রকাশ করেননি, তাঁদের মধ্য থেকে জামায়াতের তুলনায় বেশি ভোট পেয়েছে বিএনপি। বিএনপির সম্ভাব্য ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটের মধ্যে ২৬ দশমিক ৬ ভাগ এসেছে আগে সিদ্ধান্তহীন ও অনির্ধারিত ভোটারদের কাছ থেকে। জামায়াতের সম্ভাব্য ৩১ ভাগ ভোটের মধ্যে ১৪ দশমিক ১ ভাগ এসেছে একই গোষ্ঠী থেকে। তৃতীয় রাউন্ডে কিছু জামায়াত সমর্থক তাঁদের ভোটের পছন্দ প্রকাশ করেননি জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, তুলনামূলকভাবে জামায়াতের ভোটব্যাংকে অস্থিরতা বিএনপির চেয়ে বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এনসিপির কিছু ভোট বিএনপির দিকে চলে গেছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত কারা কত ভাগ ভোট পেতে পারে, এ প্রশ্নে ৫২ দশমিক ৮ ভাগ মানুষ বিএনপির পক্ষে মত দিয়েছেন। জামায়াত ও তাদের জোট ৩১ ভাগ ভোট পেতে পারেন বলে মনে করেন। আর ১৩ দশমিক ২ ভাগ উত্তরদাতা তাঁদের পছন্দ প্রকাশ করেননি। গণভোটে ‘হ্যাঁ-এর পক্ষে ৬০ ভাগ : আগামী নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই সনদ অনুসারে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের বিষয়ে পেপস প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরদাতাদের প্রায় ৬০ ভাগ গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে মত দিয়েছেন। ২২ ভাগ জানিয়েছেন, গণভোটের বিষয়ে তাঁরা জানেন না। গণভোটের বিষয়ে জনসংখ্যাগত ও রাজনৈতিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা ও মতামতে পার্থক্য দেখার কথাও বলা হয় প্রতিবেদনে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট