
অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের আগে ও পরের যাবতীয় কার্যক্রমের নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সাংবিধানিক এ সংস্থাটি।
সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। কাল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ। এরপর নির্বাচনি প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা। আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন রবিবার পর্যন্ত ৪১৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। আর গতকাল একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বহাল রেখেছে কমিশন। মোট প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৪১৮ জন। আপিলে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে আগে বৈধ ঘোষিত ছয় প্রার্থীর। এখন পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থী ২ হাজার ২৫৪ জন।
তফসিল অনুযায়ী, আপিল শুনানি শেষে আজ ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত হবে কতজন প্রার্থী ভোটে থাকবেন। ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতীক পাবেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। একই দিন গণভোটও হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর।
নির্ধারিত সময়ে এবার ৩০০ সংসদীয় আসনে আড়াই হাজার মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৪২ জন। রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৪৫ জন আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়ে একটানা রবিবার পর্যন্ত চলে। অবশ্য পাবনা-১ ও ২ আসনে আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা ১৩ জনের) এ তালিকা থেকে বাদ যাবে। ভোটের দিন একই রেখে এ দুই আসনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী রবিবার ছিল এ দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। শেষ দিনে পাবনা-১ আসনে ৭টি ও পাবনা-২ আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।