অনলাইন ডেস্ক : সরকার দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, সরকার তো ট্রানজিট দেয়নি, সরাসরি করিডোর দিয়ে দিয়েছে। ভারতের ট্রেন বাংলাদেশে আসবে, এই ট্রেন মালবাহীও হতে পারে। ট্রেনের মধ্যে কী থাকবে আমরা সেটা জানি না। বাংলাদেশকে আওয়ামী সরকার ভারত-চীনের চলমান সমস্যার জায়গায় তৈরি করেছেন। ট্রানজিটের পাশাপাশি যেরকমভাবে স্যাটেলাইট সৃষ্টি করা হয়েছে, আমার দেশের সমস্ত মধ্যকার গোপন তথ্য ভারতের কাছে চলে যাবে। ভারতের সাথে হওয়া সমঝোতা স্মারক তাড়াতাড়ি বাতিল করেন, নয়তো পরিণতি খারাপ হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুকের ওপর ন্যাক্কারজনক পুলিশি হামলার ১৪ বছরেও বিচার না হওয়ায় এ সভার আয়োজন করে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ ফোরাম।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সরকার জিনিসপত্রের দাম কমাতে পারছে না। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার দেয় না। মানুষ ভোট দিতে পারে না। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে না। মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন চালাচ্ছে। জয়নুল আবেদীন ফারুকের উপর নির্যাতনের বিচার আজও হয়নি। এর বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাব। এ সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশের স্বাধীনতাকে বিকিয়ে দিচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে না।
সরকার কিছু কিছু মানুষকে হঠাৎ করে সামনে আনেন উল্লেখ করে মান্না বলেন, খুব রসিকতা করে, হাসি ঠাট্টা করে তাকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব দিয়ে দেন। আজকে রাষ্ট্রের প্রধান, এক নম্বর ব্যক্তি রসিকতা করতে করতে খুনিদের মুক্তির সনদে স্বাক্ষর করে দেন। রসিকতা করতে করতে তাদের স্বজনদের আরও প্রমোশন দেন। এরা জালিম সরকার, প্রতারক সরকার।
প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো ট্যালারেন্স। কিন্তু তিনি বেনজীর, আজিজ আহমেদ, মতিউরসহ তাদের প্রথম দেখেছেন? আজিজের ভাইদের তিনি প্রথম দেখেছেন? তাকে তিনি প্রমোশন দেননি, প্রশয় দেননি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ডেপুটি স্পিকারের ছেলে ২০০ কোটি টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে পালিয়েছে। এই নিয়ে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে পরিবার থেকে বলা হয়েছে, বেড়াতে গিয়েছে। এই ২০০ কোটি টাকা ট্যাক্স ফাঁকির মামলা কী আছে? এই নিয়ে কোনো মামলা হয়েছে কি? এই নিয়ে গতকাল কয়েকটি গণমাধ্যমে নিউজও করেছে। আর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল বলেছেন, এরা কেউ আমাদের দলের কেউ নয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মনজুর রহমান ভূঁইয়া, উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।
প্রধান সম্পাদক : মোঃ এহছানুল হক ভূঁইয়া, প্রকাশক : মোঃ হাসান আলী রেজা (দোজা)
সম্পাদক : মোহাম্মদ মনির হোসেন কাজী
সম্পাদকীয় কার্যালয়: টেক্সাস, ইউ. এস. এ, ফোন : +𝟏 (𝟗𝟕𝟐) 𝟐𝟎𝟏-𝟖𝟔𝟗𝟒
বাংলাদেশ অফিস : ৩৪০/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪।
বাংলাদেশ যোগাযোগ : +88-01511461475, +88-01911804581