অনলাইন ডেস্ক : কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনা ঘটার পর রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানে শতাধিক ককটেল, ৫/৬ বোতল পেট্রোল, ৭টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র, ৫০০ লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ। এ সময় কার্যালয় থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের দুই নেতাসহ সাতজনকে আটক করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ অনেকে দৌড়ে পালিয়েছেন বলে জানান ডিবিপ্রধান।
মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে অভিযান শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন হারুন অর রশীদ। তিনি জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে একটি গোষ্ঠী সহিংসতা ও অপরাজনীতির চেষ্টা করছে। তাদের সকলের নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
ডিএমপির ডিবিপ্রধান বলেন, 'ছাত্রদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার জন্য মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। কিন্তু হাইকোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে একটি গ্রুপ বিভিন্ন জায়গায় সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, গাড়িতে আগুন লাগাচ্ছে, রেললাইনের স্লিপার তুলে ফেলছে, মেট্রোরেল বন্ধ করছে। আমরা নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছিলাম কোটাবিরোধী আন্দোলনটাকে অন্য দিকে ধাবিত করার জন্য একটি চক্র বিভিন্ন সময় বাণী দিয়ে, অর্থ দিয়ে, লাঠি দিয়ে, অস্ত্র সরবরাহ করে পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় আজকে প্রেসক্লাবের সামনে গাড়িতে আগুন ধরানো হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। এগুলো তো সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাজ না। যারা সহিংসতা চালাচ্ছে, আগুন দিচ্ছে, তারা সাধারণ শিক্ষার্থী না।’
তিনি বলেন, 'হাইকোর্ট একটি নির্দেশনা দিয়েছে ৭ তারিখ তার রায় হবে। এটাকে উপেক্ষা করে অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য অপচেষ্টা করছে কে বা কারা? তার ধারাবাহিকতায় আমরা বিএনপি অফিসে এসেছি। এখানে এসে আমরা শতাধিক ককটেল পেয়েছি। ৫/৬ বোতল পেট্রোল পেয়েছি, ৭টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র, ৫০০ লাঠিসোঁটা এবং ছাত্রদল ও তার অংগসংগঠনের ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। অনেকে দৌড়ে পালিয়ে গেছে, তার মধ্যে একজন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণও রয়েছে।'
তিনি বলেন, যাদের গ্রেপ্তার করেছি তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব, কেন কী উদ্দেশে এই অফিসে লাঠি ও অস্ত্র রেখেছে৷ দ্বিতীয়ত, আমরা এটাও দেখেছি একটি গ্রুপ যেমন অর্থ দিয়ে বিনিয়োগ করছে, অস্ত্র দিয়ে সরবারাহ করছে, আবার গুজব ছড়িয়ে বিষয়টিকে বিভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে নেবার চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে যারা এই অপরাধনীতি করছে তাদের সকলের নাম পেয়েছি। তাদের আমরা গ্রেপ্তার করব।
প্রধান সম্পাদক : মোঃ এহছানুল হক ভূঁইয়া, প্রকাশক : মোঃ হাসান আলী রেজা (দোজা)
সম্পাদক : মোহাম্মদ মনির হোসেন কাজী
সম্পাদকীয় কার্যালয়: টেক্সাস, ইউ. এস. এ, ফোন : +𝟏 (𝟗𝟕𝟐) 𝟐𝟎𝟏-𝟖𝟔𝟗𝟒
বাংলাদেশ অফিস : ৩৪০/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪।
বাংলাদেশ যোগাযোগ : +88-01511461475, +88-01911804581