1. onemediabd@gmail.com : admin2 :
  2. info@www.dhanershis.net : ধানের শীষ :
সারাদেশে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি - ধানের শীষ
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
রাজশাহীতে যাচ্ছেন তারেক রহমান মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে ধানের শীষে ভোট দিন: ভাসানটেকে তারেক রহমান ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: প্রধান উপদেষ্টা ১৫ বছর যারা ভোট ডাকাতি করেছে, তাদের সঙ্গে এদের পার্থক্য: তারেক রহমান ভালুকায় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌর বিএনপির ওয়ার্ড ভিত্তিক নির্বাচনী পরামর্শ সভা ভোটের লড়াইয়ে বিএনপির ৭৪ বিদ্রোহী প্রার্থী; বহিষ্কার আরও ৫৯ আজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, কাল প্রতীক বরাদ্দ এনসিপির এলিটিজম বনাম তৃণমূল রাজনীতির বাস্তবতা, গণতন্ত্রের নামে কার রাজনীতি? গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

সারাদেশে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির ভেতরে-বাইরে ততই বাড়ছে উত্তাপ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ দলের স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হচ্ছে দলটির। দেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে অন্তত ৯৩টি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এ নিয়ে দল-মনোনীত প্রার্থীরাই শুধু নন, পুরো দলই আছে এক রকম চাপের মুখে। অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করায় ইতোমধ্যে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্রোহীদের সঙ্গে কেন্দ্র থেকে যোগাযোগের পাশাপাশি তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ইতোমধ্যেই বলেছেন, আমরা আহ্বান জানিয়েছি দলের সিদ্ধান্তের প্রতি যেন তারা (বিদ্রোহী) শ্রদ্ধাশীল হয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। আশা করছি, তারা তা করবেন। অনেকেই ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করার কথা জানিয়েছেনও। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের যে সময়সীমা রয়েছে, এর মধ্যেই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে বলে আশা করছি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় এক নেতা জানান, দলীয় পদধারী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের গুলশান কার্যালয়ে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনই তাদের ডাকা হচ্ছে। তফসিল ঘোষিত সময়ের মধ্যে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এমএ খালেক, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির বেশ কয়েকটি আসনে দল-মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতারাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে অনেকের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে, বাতিল হয়েছে কারও কারও। বাতিল হওয়া বেশ কয়েকটি মনোনয়নপত্র আপিলের পর গত দুদিনে বৈধ হয়েছে। এসব এলাকায় জামায়াত জোট, জাতীয় পার্টি ও বাম জোটের প্রার্থীও রয়েছেন। ফলে ঘরে-বাইরে বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে যাচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা।

ঢাকা-১২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে। এখানে প্রথমে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরবকে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি তাকে বহিষ্কার করেছে। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরীকে। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লেয়াকত আলী। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখনও মাঠে আছেন দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী। সিলেট-৫ এ আসন সমঝোতায় বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন)। তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নাটোর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতিদ্বন্দ্বী তারই আপন ভাই ডা. ইয়াসিন আরশাদ রাজন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। তারা দুজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী। নাটোর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু। এখানে দাউদার মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ হান্নান। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান মামুন ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল চৌধুরী এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব। বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা দলটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্টের মহাসচিব বিএনপি হতে বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা এসএন তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাঠে আছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এমএ মান্নান। বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাসুদ হিলালী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জজ রেজাউল করিম খান চুন্নু এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। চাঁদপুর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মো. হারুনুর রশিদ। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন এমএ হান্নান। জয়পুরহাট-২ আসনে সাবেক সচিব আব্দুল বারীকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন বিএনপির সাবেক এমপি গোলাম মোস্তফা। রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএন?পির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন-অর-র?শীদ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এম?পি ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. না?সিরুল হক সাবু। মাদারীপুর-১ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে নাদিরা আক্তারকে। এখানে প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামান মোল্লা। মাদারীপুর-২ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া। বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সদস্য মিল্টন বৈদ্য। হবিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সুজাত মিয়া। পটুয়াখালী-৩ আসনটি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন গণঅধিকার পরিষদ থেকে সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী রাশেদ খান। এখানে প্রার্থী হয়েছেন বিগত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরী। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী শ্রীমঙ্গল পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত মেয়র ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. মহসিন মিয়া মধু। বরিশাল-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন। বিদ্রোহী প্রার্থী দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সোবহান। কুমিল্লা-২ আসনে মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস এমএ মতিন খান। কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী সদ্যপ্রয়াত দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী। বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। কুমিল্লা-৭ আসনে বিএনপিতে সদ্য যোগ দেওয়া এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ দলীয় প্রার্থী। বিদ্রোহী প্রার্থী চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন। কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম। বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক এমপি প্রয়াত কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা। কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া। বিদ্রোহী প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর। এই আসনে দলের প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এখানে বিএনপির প্রার্থী সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম এবং সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এই আসনে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের নেতা মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীকে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে। শাহ আলম ও গিয়াস উদ্দিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নড়াইল-১ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি নেতা ও জিয়া পরিষদের সদস্য অধ্যাপক বিএম. নাগিব হোসেন। বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে। নড়াইল-২ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এনপিপি ছেড়ে দলটিতে যোগ দেওয়া ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু ও শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মমিন আলী। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সিরাজদিখান উপজেলা সভাপতি শেখ মো. আব্দুল্লাহ। মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন। এ আসনে দলের প্রার্থী কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন। শেরপুর-১ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ। বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা আর দল-মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। নেত্রকোনা-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী সাবেক চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল। ধানের শীষ নিয়ে লড়ছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে ডা. একেএম বাবরকে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএইচ খান মঞ্জু বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপির প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী। বাগেরহাট-১ এ বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দুজনÑ সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম ও জেলা বিএনপি নেতা প্রকৌশলী মো. শেখ মাসুদ রানা। বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। দুই বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম ও তার ভাই জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম। বাগেরহাট-৩ আসনে প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম। কুড়িগ্রাম-১ এ স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী। দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম রানা। নীলফামারী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার। দলীয় প্রার্থী এএইচ মো. সাইফুল্লাহ রুবেল। দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় প্রার্থী মো. মনজরুল ইসলাম। দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম; গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ ও গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। রাজশাহী-১ আসনে গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-৪ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, রাজশাহী-৫ আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী-৬ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন। নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন। কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক দলের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস, মানিকগঞ্জ-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা ?বিদ্রোহী প্রার্থী। ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন দলের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করতে চান। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ও ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপির সালমান ওমর রুবেল ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় প্রার্থী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। ময়মনসিংহ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারাকান্দা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জেলা উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহ শহীদ সারোয়ার। ময়মনসিংহ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসাইন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন। ময়মনসিংহ-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী দক্ষিণ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আকতারুল আলম ফারুক। স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা, তানভীর আহম্মেদ রানা ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল করিম। ময়মনসিংহ-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন। স্বতন্ত্র প্রার্থী দলের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেকের ছেলে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত। ময়মনসিংহ-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি শাহ নূরুল কবীর শাহীন। ময়মনসিংহ-৯ এ বিএনপির প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইয়াসের খান চৌধুরী। সাবেক সংসদ সদস্য খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আব্দুল মান্নানও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ময়মনসিংহ-১০ এ মনোনয়ন পেয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান এবং পাগলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আল-ফাতাহ মো. আব্দুল হান্নান খান। ময়মনসিংহ-১১ আসনে দল মনোনীত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু। স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ মুর্শেদ আলম। জামালপুর-২ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এএসএম আবদুল হালিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। চাঁদপুর-৫ আসনে মো. মমিনুল হক মনোনয়ন পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার কামাল উদ্দিন। চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। এখানে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এমএ শুক্কুর পাটোয়ারী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপি নেতা জিয়াদ আমিন খান, চট্টগ্রাম-২ আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৩ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এসএম ফজলুল হক ও বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম-১২ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন। নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক। স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা কাজী মফিজুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ। নোয়াখালী-৫ এ বিএনপির প্রার্থী ফখরুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ। নোয়াখালী-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম। স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর উদ্দিন রাজিব এবং সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম ও তার স্ত্রী শামীমা আজিম। টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী। টাঙ্গাইল-৩ আসনে দলের প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি লুৎফুর রহমান খান আজাদ। টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু দলীয় প্রার্র্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল। ঠাকুরগাঁও-২ এ বিএনপির প্রার্থী ডা. আবদুস সালাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি জুলফিকার মর্তুজা চৌধুরী (তুলা)।
কৃতজ্ঞতা : দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট